Breaking News

ই’ভটিজিং ও বাল্যবিয়ে রোধে ওসি’র সচেতনতামূ’লক উঠান বৈঠক

নরসিংদীর শিবপুরে মা’দক, চু’রি, ডাকাতি, ই’ভটিজিং, বাল্যবিয়ে ও ব্যভিচার রোধে ওসির সচেতনতামূ’লক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২১ ডিসেম্বর) বিকেলে উপজে’লার যোশর ইউনিয়নের নৌকাঘাটার এলাকাবাসীর উদ্যোগে এই উঠান বৈঠকের আয়োজন করা হয়।

এতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে শিবপুর মডেল থানার জনবান্ধব অফিসার ই’নচার্জ (ওসি) মোল্লা আজিজুর রহমান বলেন, চু’রি-ডাকাতি, মা’দকসহ সবধরনের অ’পরাধ দ’মনে পু’লিশ সতর্ক রয়েছে।

কোন অ’পরাধী ছাড় পাবে না। মা’দক, চু’রি, ডাকাতি, ই’ভটিজিং ও স’ন্ত্রাস সহ বিভিন্ন অ’পরাধের সাথে যারা জ’ড়িত রয়েছে তাদেরকে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।

তিনি আরো বলেন, শীত মৌসুমে এলাকায় চু’রি-ডাকাতি বৃ’দ্ধি পাওয়ার আ’শঙ্কা থাকে। সল্পসংখ্যক পু’লিশ দিয়ে এতবড় উপজে’লা পাহারা দেওয়া ক’ষ্টসাধ্য।

তাই পু’লিশের পাশাপাশি জনসাধারণকে রাতের বেলা নিজ নিজ এলাকায় স্বেচ্ছাশ্রমে গ্রুপ ভিত্তিক পাহারার ব্যবস্থা করা জরুরী। চু’রি-ডাকাতি প্রতিরোধে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন।

মানুষের খাদ্য হতে যাচ্ছে অজগরের মাংস!

পৃথিবীর সর্ববৃহৎ প্রা’ণিগুলোর মধ্যে অজগর অন্যতম। অজগরকে ঘিরে রয়েছে নানা গল্প আর পৌরাণিক কাহিনী।

ভ’য়ঙ্কর এই প্রা’ণিকে নিয়ে হলিউডে নানা চলচ্চিত্রও নির্মাণ হয়েছে। তবে সব জায়গায় অজগরকে দেখানো হয়েছে ভ’য়ঙ্কর হিসেবে। প্রা’ণিটি ভ’য়ঙ্করই বটে। মানুষ, পশু বা অন্যান্য প্রা’ণি অনায়াশেই আস্ত গিলে ফে’লে।

তবে অজগরের মানুষ খাওয়ার যেসব গল্প ও দৃশ্য দেখা যায় তা এবার উল্টে যাচ্ছে। ভ’য়ঙ্কর এই প্রা’ণিটি যুক্ত হতে যাচ্ছে মানুষের খাদ্য তালিকায়।

মা’র্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় এ নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা শুরু হয়েছে। মানুষের খাবারের জন্য অজগরের মাংস উপযোগী কিনা এই পরীক্ষার ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করছেন ফ্লোরিডাবাসী।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক সংবাদমাধ্যম সিএনএনের খবরে বলা হয়েছে, বিজ্ঞানীরা ইতিবাচক সাড়া দিলেই ফ্লোরিডার মানুষের খাবার মেনুতে যুক্ত হবে বার্মিজ পাইথন।

খবরে বলা হয়েছে, ফ্লোরিডা ফিশ অ্যান্ড ওয়াইল্ডলাইফ কনজারভেশন (এফডব্লিউসি) কমিশন অজগর খাওয়া যাবে কিনা তা নিয়ে অ’ঙ্গরাজ্যটির স্বাস্থ্য বিভাগের স’ঙ্গে কাজ করছে। নিরাপদ বিবেচিত হলে শিগগিরই সেখানকার হোটেল-রেস্তোরাঁয় বিক্রি হবে অজগরের মাংস।

এফডব্লিউসির মুখপাত্র সিএনএনকে বলেন, ‘এতে থাকা পারদের মাত্রা পরিমাপের বি’ষয়টি এখনও প্রাথমিক ধাপে রয়েছে। এখন আমরা এর শ’রীর থেকে সংগৃহীত টিস্যুতে কী পরিমাণ পারদ আছে, তা পরিমাপ করছি।’

উল্লেখ্য, অজগর বা পাইথন (ইংরেজি: pythons) হচ্ছে পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম সাপ। অজগরকে ময়াল নামেও ডাকা হয়। এরা বি’ষহীন আদিম সাপ। এদের পিছনের পা-এর চিহ্ন পুরো বিলুপ্ত হয়নি।

অজগর শি’কারকে জো’রে পেঁচিয়ে তার দম বন্ধ করে। শি’কারকে সাধারণত মাথার দিক থেকে আস্ত গিলে খাওয়া শুরু করে।

কারণ, এতে শি’কারের বাঁ’ধা দেওয়ার ক্ষ’মতা কমে যায়। শি’কার হজম করতে তাদের কয়েকদিন সময় লাগে। অজগর কোনো মৃ’ত প্রা’ণি খায় না।

অজগরের অবলোহিত (তাপ) রশ্মি দেখার বিশেষ তাপদৃষ্টি (infrared vision)ইন্দ্রিয় রয়েছে। অজগরের উপরের ঠোঁট বরাবর এই ইন্দ্রিয় অবস্থিত।

আফ্রিকা মহাদেশের বি’ষুবীয় সাহারা অঞ্চলে পাইথন পাওয়া যায়। তবে এই মহাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম এলাকা যেমন, ওয়েষ্টার্ণ কেপ ও মাদাগাস্কারে এই প্রজাতির সাপ পাওয়া যায় না।

এশিয়া মহাদেশে ভারত, বাংলাদেশ,নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কা, মায়ানমার, নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ এই সাপের বসতি আছে। এছাড়া দক্ষিণ চীন, ফিলিপাইন দ্বীপপুঞ্জ ও ইন্দোনেশিয়ায় পাইথন দেখতে পাওয়া যায়।

পাইথন একটু দেরিতে প্রজনন শুরু করে। সাধারণত একটি সাপ ৫ থেকে ৬ বছর বয়সে প্রা’প্তব’য়স্ক হয়। একটি স্ত্রী পাইথন প্রচুর খাদ্যগ্রহণ করে যথেষ্ট শ’ক্তি অর্জন করার পর একসাথে প্রচুর ডিম পারে।

About tanvir

Check Also

বাংলাদেশের প্রথম তৃতীয় লি*ঙ্গের মাদরাসায় নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু

শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস ও আ’নন্দমুখর পরিবেশে বাংলাদেশের প্রথম তৃতীয় লি*ঙ্গের মাদারাসায় নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হয়েছে। গতকাল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *