Breaking News

জুমার খুতবায় মু’সলিম ব্রাদারহুডের নি’ন্দা না করায় সৌদিতে ১০০ ইমাম বরখাস্ত

জুমার খুতবায় মু’সলিম ব্রাদারহুডের নি’ন্দা না করায় ১০০ ইমাম ও ধর্ম প্রচারককে বরখাস্ত করেছে সৌদির ধর্ম ম’ন্ত্রণালয়।

দেশটির মক্কা ও আল-কাসিম এলাকার বিভিন্ন মসজিদের ইমাম’দের বি’রুদ্ধে এ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

গত ১৩ নভেম্বর মু’সলিম ব্রাদারহুডের বি’রুদ্ধে খুতবায় আলোচনা করতে ইমাম’দের নির্দেশনা দেয় সৌদির ধর্ম ম’ন্ত্রণালয়। কিন্তু অনেক মসজিদে এ নির্দেশনা সেভাবে পালন করা হয়নি।

দুই সপ্তাহ পর্যালোচনার পর নির্দেশ অমান্যকারীদের তালিকা করে তাদের বরখাস্তের আদেশ দিয়েছেন সৌদির ইসলাম বি’ষয়ক মন্ত্রী শেখ আবদুল লাতিফ আল শায়খ।

২০১৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে মু’সলিম ব্রাদারহুডকে স’ন্ত্রাসী সংগঠন বলে ঘোষণা করে দেশটিতে তাদের কর্মকাণ্ড নি’ষিদ্ধ করে সৌদি আরব।

মু’সলমানদের জন্য জীবন দিবো, তবু মাথা নত করবো না: মমতা

ভারতে নাগরিকত্ব সংশোধ’ন আইন (সিএবি) সং’সদে পাশ হওয়ার পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন উত্তর ও দক্ষিণ কলকাতা এবং হাওড়া জুড়ে তিন দিন মহামিছিল করবে তৃণমূ’ল।

কথা মতো গতকাল ১৬ ডিসেম্বর সোমবার রেড রোড থেকে জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ি পর্যন্ত প্রায় চার কিলোমিটার পদযাত্রা করেন তিনি। স’ঙ্গে ছিল বিশাল মিছিল।

মমতা আরো বলেন, ‘কোনও কোনও বিজেপি নেতা বলতে শুরু করেছেন, বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন কেন জারি হবে না? আমাদের স’রকার ফে’লে দেবেন? ফে’লে দিন। কিন্তু ইজ্জতের জন্য যখন লড়তে নেমেছি, তখন মাথা নত করব না।’

মিছিল শেষে জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়ির সামনে ভাষণ দেন তৃণমূ’ল চেয়ারপার্সন তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সিএএ এবং এনআরসি যে পশ্চিমবঙ্গে কার্যকরী হতে দেবেন না, সে কথা আগে থেকেই নানা মাধ্যমে বলছিলেন মমতা।

এ দিনের ভাষণে আরও জো’র দিয়ে তিনি বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গে সিএএ বা এনআরসি কিছুতেই কার্যকরী করতে দেবেন না।

তিনি বলেন, ‘আমরা বাংলায় আছি। এখানে এনআরসি করতে হলে, আমার মৃ’তদে’হের উপর দিয়করতে হবে, এখানে সিএবি করতে হলে আমার মৃ’তদে’হের উপর দিয়ে করতে হবে,’- এই ভাষাতেই এ দিন নাগরিকত্ব আইনের বি’রুদ্ধে সুর চড়ান মমতা।

সম্প্রতি ভারতে নাগরিকত্ব সংশোধ’ন আইন নিয়ে তীব্র বি’রোধিতা করছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেছেন, আমরা সবাই নাগরিক।

বৈচিত্রের মধ্যে ঐক্য আমাদের আদর্শ। আমরা কাউকে বাংলা ছাড়তে দেব না। আমরা এনআরসি ও সিএএ-কে বাংলায় ঢুকতে দেব না। আমাদের শান্তি বজায় রাখতে হবে।’

রাজ্যপাল জগদীপ ধ’নখড়ের নাম এ দিন করেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু তাঁর ইঙ্গিত বেশ স্পষ্ট ছিল। তিনি বলেন, ‘এখানে আর একজন বড় বিজেপি নেতা এসেছেন।

বলছেন- সাবধান করে দিচ্ছি, কেন অশান্তি হচ্ছে? আমি বলেছি, আগে অসমকে গিয়ে বলুন। সেখানে বিজেপির স’রকার রয়েছে, তাদের বলুন।’

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি যে সব সময়ই রাজ্যের বি’ষয় এবং সে বি’ষয়ে কেন্দ্রীয় হস্তক্ষেপের কোনও চেষ্টা যে তিনি পছন্দ করেন না, তা আগেও অনেক বার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুঝিয়ে দিয়েছেন। গত চার দিনে রাজ্য জুড়ে উত্ত’প্ত পরিস্থিতির প্রেক্ষিতেও যে তিনি সেই অবস্থানেই অনড় রয়েছেন, মমতা এ দিন তা-ও বুঝিয়ে দেন।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাকে জিজ্ঞাসা করছে, সিআইএসএফ লাগবে? বিএসএফ লাগবে? আমি বলেছি, কিচ্ছু লাগবে না।

আমাদের পু’লিশই যথেষ্ট।’ পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষ এবং পু’লিশ পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তিতে পরিস্থিতি সামলে নেবেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রয়োজন নেই- এই বার্তাই এ দিন দিতে চেয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

নাগরিকত্ব আইন নতুন করে তৈরি করার কোনও প্রয়োজন ছিল না- এ কথাই এ দিন জো’র দিয়ে বলতে চেয়েছেন তৃণমূ’ল চেয়ারপার্সন।

জমায়েতের উদ্দেশে এ দিন তিনি প্রশ্ন করেন, ‘আপনারা ভোট দেন না? আপনাদের নাম ভোটার তালিকায় নেই? আপনাদের ছেলেমে’য়েরা স্কুলে পড়ে না? তা হলে আবার কিসের নাগরিকত্ব আপনাকে দেবে?’

সুত্র: আ’নন্দবাজার পত্রিকা।

‘মা’র্কিনিদের কে মধ্যপ্রাচ্য থেকে বের করে দেয়া হবে’

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের স’চিব আলী শামখানি বলেছেন, আমেরিকা এবং তাদের সহযোগীদের মধ্যপ্রাচ্যে স’ন্ত্রাসবা’দী তৎপরতা বন্ধ করার ব্যাপারে ইরান দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

এর পরিণতিতে মা’র্কিন সে’নাদের মধ্যপ্রাচ্য থেকে সম্পূর্ণভাবে চলে যেতে বা’ধ্য হবে।

ইরান সফররত আফগান প্রে’সিডেন্টের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা হাম’দুল্লাহ মোহিবের স’ঙ্গে রাজধানী তেহরানে আজ (মঙ্গলবার) এক বৈঠকে এসব কথা বলেছেন আলী শামখানি।

জেনারেল সোলাইমানি ও আবু মাহদি আল-মুহান্দিস
তিনি বলেন,

মধ্যপ্রাচ্যকে অনিরাপদ করে তোলার ব্যাপারে আমেরিকার তৎপরতা সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং তারা কাপুরু’ষের মতো ইরানের স’ন্ত্রাসবাদ-বি’রোধী কমান্ডার লে’ফটেন্যা’ন্ট জেনারেল কাসেম সোলাইমানি এবং ইরাকের হাশদ আশ-শাবির সেকেন্ড ইন কমান্ড আবু মাহদি আল-মুহান্দিসেকে হ’ত্যা করেছে।

ওই হ’ত্যাকাণ্ডের জন্য যারা নির্দেশ দিয়েছে এবং যারা তা বাস্তবায়ন করেছে তাদের বি’রুদ্ধে যথাযথ প্র’তিশোধ নেয়ার মাধ্যমে এ অঞ্চল থেকে মা’র্কিন সে’নাদের ব’হিষ্কার করা হবে।

গত ৩ জানুয়ারি বাগদাদের আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের কাছে জেনারেল সোলাইমানি এবং আল-মুহান্দিসকে হ’ত্যা করা হয়। হ’ত্যাকাণ্ডের পরপরই মা’র্কিন প্রে’সিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রা’ম্প দাবি করেন যে, তিনি এই হ’ত্যাকাণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন। পার্সটুডে

ফিলিস্তিন ইস্যু সমাধান না হলে ইসরাইলকে স্বীকৃতি নয়: কুরেশি

সংযুক্ত আরব আমিরাতের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে ইসরাইলের বি’ষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করে পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কুরেশি বলেছেন, ফিলিস্তিন ইস্যুতে কোনও স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত পাকিস্তান ইসরাইলের সাথে সম্প’র্ক স্থাপন করবে না এবং স্বীকৃতি দেবে না।

সোমবার সংযুক্ত আরব আমিরাত (ইউএই) সফর শেষে পাকিস্তানে ফিরে মুলতানে সাংবাদিকদের কাছে কুরেশি নিজেই এই ত’থ্য জানিয়েছেন।

পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ‘ডন’-এর এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরে গিয়ে ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয়ার বি’ষয়ে পাকিস্তানের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশি।

তিনি জানিয়েছেন, ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেয়ার বি’ষয়ে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বক্তব্য তিনি শুনেছেন। স’ঙ্গে এ-ও বলেছেন, ফিলিস্তিন ইস্যুতে স্থায়ী ও পরিপূর্ণ সমাধান হওয়ার আগে ইসরাইলকে স্বীকৃতি দেবে না পাকিস্তান।

শাহ মাহমুদ কোরেশি বলেন, ‘ফিলিস্তিন সমস্যার স্থায়ী সমাধান না হওয়া পর্যন্ত কোনো পরিস্থিতিতেই পাকিস্তান ইসরাইলের স’ঙ্গে সম্প’র্ক স্থাপন করবে না। প্রধানমন্ত্রী এটি বলেছেন। আমি বক্তব্যটি স্পষ্ট করলাম। এবং পররাষ্ট্র ম’ন্ত্রণালয় এ ব্যাপারে একটি বিবৃতি প্রকাশ করেছে।

আমাদের ও’পর কোনো চা’প নেই এবং ছিলও না।’ পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, ‘যেকোনো সি’দ্ধান্ত নেয়ার ক্ষেত্রে পাকিস্তানের স্বার্থকেই আমরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিই এবং সে ক্ষেত্রে চা’পের কাছে নতি স্বীকার করা হয় না। আমাদের একটি নীতি আছে এবং আমরা এতে অবিচল আছি।’

সংযুক্ত আরব আমিরাত সফরের অ’ভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলার সময় ভারত প্রস’ঙ্গও উঠে আসে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশি বলেছেন, আরব আমিরাত বা সউদী আরব—কোনো দেশই ভারতকে পাকিস্তানের বিকল্প বলে মনে করে না। যদি ভারত এ ধরনের প্রচেষ্টা চা’লায়, তবে তা তাদের ‘ভু’ল–বোঝাবুঝি’।

সংযুক্ত আরব আমিরাত সম্প্রতি ইসরাইলের স’ঙ্গে কূটনৈতিক সম্প’র্ক স্বাভাবিক করার ঘোষণা দেয়। কিছুদিনের মধ্যে একই পথে হাঁটে বাহরাইনও। মা’র্কিন প্রে’সিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রা’ম্পের মধ্যস্থতায় গত সেপ্টেম্বরে ইসরাইলের স’ঙ্গে সম্প’র্ক স্থাপনের চুক্তি স্বাক্ষর করে এই দুই দেশ।

এরপর সুদান ও ভুটান ইসরাইলের স’ঙ্গে কূটনৈতিক সম্প’র্ক স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছে। এতে ক্ষু’ব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে ফিলিস্তিন।

About tanvir

Check Also

ট্রা’ম্প অনুষ্ঠানে আসবে না, ভালো হয়েছে : বাইডেন

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রে’সিডেন্ট হিসেবে জো বাইডেনের অভিষেক অনুষ্ঠানে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিদায়ী প্রে’সিডেন্ট ডোনাল্ড …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *