Breaking News

সে’নাবা’হিনীকে সততা নিয়ে কাজ করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

সততা, নিষ্ঠা ও একাগ্রতা বজায় রেখে দেশের উন্নয়নে কাজ করতে সে’নাবা’হিনীর নবীন কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

তিনি বলেছেন, নিজেদের বিশ্বমানের করে গড়ে তুলে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করার দায়িত্ব কাঁধে নিতে হবে।

বৃহস্পতিবার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে চট্টগ্রামের ভাটিয়ারিতে মিলিটারী একাডেমিতে রাষ্ট্রপতি কুচকাওয়াজ ও ৭৯তম বিএমএ লং কোর্স সমাপনী অনুষ্ঠানে ভিডিও কনফারেন্সে যুক্ত হয়ে এ কথা বলেন স’রকার প্রধান। তিনি জানান, প্রেক্ষিত পরিকল্পনায় এগিয়ে নেয়া হচ্ছে দেশকে।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, সে’নাবা’হিনীর প্রশিক্ষণের জন্য যা যা করা দরকার আমরা তা করছি।

তিন বছরের কোর্সের পাশাপাশি চার বছরের কোর্সের ব্যবস্থাও করা হয়েছে। দেশ শান্তিতে থাকলে সবাই শান্তিতে থাকবে। তাই সবসময় দেশের মানুষের পাশে থাকতে হবে।

শেখ হাসিনা আরো বলেন, সবচেয়ে বড় জিনিস হলো সততা, একতা ও নিষ্ঠা। আমরা যু’দ্ধ করে বিজয় অর্জনকারী একটি দেশ, এটা আমাদের মনে রাখতে হবে। তাই আমাদের মাথা উঁচু করে চলতে হবে।

ভারতের হাই কমিশনারকে জাফরুল্লাহর চিঠি

ভারতের দিল্লিতে শীতার্তদের মাঝে কম্বল দেওয়ার প্রস’ঙ্গে ঢাকায় অবস্থিত দেশটির হাই কমিশনারকে চিঠি দিয়েছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।

জাফরুল্লাহ চৌধুরীর স্বাক্ষরে তার পক্ষ থেকে ভারতের হাই কমিশনারের অফিসে এই চিঠি হস্তান্তর করেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রেস উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৪০ মিনিটে তিনি এ চিঠি হস্তান্তর করেন।

চিঠিতে তিনি বলেন, মি. বিক্রম, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্র একটি দাতব্য ট্রাস্ট যা ১৯৭১ সালে বাংলা’শের স্বাধীনতা যু’দ্ধের সময় প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলো এবং তা বাংলাদেশের ফিল্ড হসপিটাল নামে পরিচিত ছিল।

বাংলা’শের ফিল্ড হসপিটাল তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান সী’মান্তে ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের রাজধানী আগরতলার বিশ্রামগঞ্জের মেলাঘরে অবস্থিত ছিল।

পাকিস্তানের বি’রুদ্ধে ১৯৭১ সালে স্বাধীনতা যু’দ্ধে ভারতের উদার সহযোগিতার জন্য আমরা ভারতের জনগণের কাছে কৃতজ্ঞ। আমরা জানতে পেরেছি নয়াদিল্লিতে বর্তমানে তাপমাত্রা ৪ ডিগ্রির নীচে নেমে গেছে। ফলে ৩৭ জন কৃষক সম্প্রতি মা’রা গেছে।

চিঠিতে জাফরুল্লাহ বলেন, স্বাধীনতা যু’দ্ধে সহযোগিতার কৃতজ্ঞতা স্বরূপ নয়াদিল্লিতে শীতার্ত কৃষকদের জন্য বাংলাদেশের গ্রামীণ তাঁতীদের হাতে তৈরী ২০০০ কম্বল দিতে চাই।

আগামী ৩০ ডিসেম্বর ২০২০ অথবা আপনার সুবিধাজনক যেকোনো তারিখে নয়াদিল্লিতে শীতার্ত কৃষকদের জন্য আমাদের আন্তরিক উপহার গ্রহণ করলে কৃতার্থ হবো।

About tanvir

Check Also

বাংলাদেশের প্রথম তৃতীয় লি*ঙ্গের মাদরাসায় নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু

শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস ও আ’নন্দমুখর পরিবেশে বাংলাদেশের প্রথম তৃতীয় লি*ঙ্গের মাদারাসায় নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হয়েছে। গতকাল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *