জেনে নিনঃ সমব’য়সীদের সাথে ‘যৌ’ন’ মি’লন করলে কি কি সমস্যা হতে পারে

তোমরা সতেরো বছর ব’য়স থেকে‘ প’রস্পরের স’ঙ্গে ভালোবাসার সম্প’র্কে রয়েছ। বেশ দীর্ঘ ‘একটি পথ পাড়ি দিয়েছ বলা যেতে পারে। খুব ভালো লাগল জেনে যে তোমাদের মধ্যে ভালোবাসা ছাড়াও শ্রদ্ধা ও বিশ্বাস রয়েছে। ছেলেটি’ আগে শা’রীরিক ‘সম্প’র্কে যাওয়ার ব্যাপারে’ তোমার অনিচ্ছাকে শ্রদ্ধা দেখালেও বর্তমানে আর সেটি রক্ষা করতে পারছে’ না।

মনে হচ্ছে সে তার ‘সহিষ্ণুতার জায়গাটি চর্চা’ করতে ব্যর্থ হচ্ছে। বোঝা’ যাচ্ছে, এ ক্ষেত্রে’ আজ’ন্মলালিত মূ’ল্যবোধ, বিশ্বাস, রুচিবোধ, মনোভাব তোমাকে বিয়ের আগে এ ‘ধরনের সম্প’র্কে যেতে বা’ধা দিচ্ছে। এ ছাড়া ধর্মীয় ও সামাজিক দৃষ্টিকোণও এটিকে’ সমর্থন করে না।

তোমার প্রতি আমি সম্মান জানাচ্ছি এত দীর্ঘ সময়ের পারস্পরিক সম্প’র্কে তুমি সংযমী আচরণ করেছ এবং ছেলেটিকেও অসম্মতি জানিয়ে’ বিরত রেখেছ। দুঃখজনক হচ্ছে,’ এই বি’ষয়ে পরিবার ও সমাজ ছেলে এবং মে’য়েদের ভিন্ন বার্তা দিয়ে বড় করে।

মে’য়েদের জন্য অনেক বেশি অনুশাসন ও বিধিনি’ষেধ আরোপ করা হয়, কিন্তু ছেলেদের এ বি’ষয়ের প্রতি আ’গ্রহকে শিথিলভাবে দেখা হয়। ছেলেরা অনেক অল্প ব’য়স থেকেই সে*ক্স নিয়ে ফ্যান্টাসি করে, নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে এবং’ নানা উৎস থেকে বি’ষয়টি বোঝার জন্য প্রয়াস চা’লায়। এখন প্রযুক্তির কল্যাণে অল্পব’য়সী ছেলেরাও প’র্নোগ্রাফিতে আসক্ত হয়ে পড়ছে।

ভালোবাসার সম্প’র্কে শা’রীরিক ‘ও মা’নসিক দুটো দিকই রয়েছে। ‘বয়ঃসন্ধিতে ও ”প্রা’প্তব’য়সে না’রী-পুরু’ষ যখন বিপরীত লি*ঙ্গের মানুষের প্রতি আকর্ষিত হয়, তখন তার মধ্যে শ’রীরের চেয়ে মনের ক্ষুধাই বেশি তীব্র থাকে। শ’রীরের পরিবর্তন এই আকর্ষণটি সৃষ্টি করলেও মানুষ আসলে ‘মা’নসিক ও আবেগীয় নিরাপত্তাই খুঁজতে থাকে প্রতিনিয়ত।

মনোবিজ্ঞানীরা গবে’ষণা করে দেখেছেন যে জ’ন্ম থেকে মৃ’ত্যু পর্যন্ত মানুষ তার’ কাছেই আশ্রয় চায় যে তাকে বোঝে, বিশ্বাস করে এবং নিরাপদ বোধ করতে সহায়তা করে। শৈশবে আমাদের প্রাথমিক যত্নকারীর স’ঙ্গে যদি দৃঢ় একটি আবেগীয় বন্ধ’ন তৈরি হয় তাহলে পরবর্তী জীবনে কাউকে হা’রিয়ে ফেলার ভ’য় থেকে আমরা সহজেই মুক্ত থাকতে পারি।

ছেলেটি এখন তোমার ও’পর জো’র করে নিজের ই’চ্ছা চা’পিয়ে দিচ্ছে। এর ফলে তুমি তাকে’ হা’রিয়ে ‘ফেলার ভ’য়ে রয়েছ। আবার ছেলেটিও কি তোমাকে হা’রিয়ে ফেলবে মনে করে ‘শা’রীরিক সম্প’র্ক স্থাপন করে তার ভে’তরের নিরাপত্তাহীনতাকে লাঘব করতে চাইছে?

আমাদের সমাজে মে’য়েরা সাধারণত মনে করে যার স’ঙ্গে শা’রীরিক সম্প’র্ক হয়েছে তাকে অবশ্যই পরে বিয়ে করতে হবে, কারণ সে তার সবকিছুই দিয়ে দিয়েছে। ছেলেটি কী শুধু ‘এই বিশেষ সম্প’র্কটি চাইছে, নাকি সে সব সময় তোমাকে নিজের স’ঙ্গে রাখতে পারবে এই নিশ্চয়তা চাইছে, সেটি বোঝা দরকার।

যেহেতু সে তোমার সমব’য়সী, হয়তো বা তার মনে হতে ‘পারে তোমার বিয়ে হয়ে যেতে পারে এবং’ তাকে উপযুক্ত হতে গেলে আরও অনেক ‘দিন অপেক্ষা করতে হবে। ওর ‘স’ঙ্গে কথা বলে বোঝার চেষ্টা করো সে কী মা’নসিক নিরাপত্তাহীনতার কারণে নাকি শুধু শা’রীরিক চা’হিদার কারণে এতটা অস্থির ‘হয়ে পড়েছে।

যদি তার মা’নসিক কারণ হয়ে’ থাকে, তাহলে ‘তুমি ওকে ‘পরিপূর্ণভাবে’নিশ্চিত করো যে পরিবার ‘থেকে যদি তোমাকে বিয়ের জন্য চা’পও ‘দেওয়া হয়, তারপরও তুমি ছেলেটি উপযুক্ত হওয়া পর্যন্ত অবশ্যই অপেক্ষা করবে। আর যদি শা’রীরিক চা’হিদা হয়ে থাকে, তাহলে ও’কে বলো যে সে দীর্ঘ পাঁচ বছর তোমার ই’চ্ছার প্রতি শ্রদ্ধা দেখিয়েছে।

এটাই প্রমাণ করে তার যথেষ্ট আত্মসংযম রয়েছে। তুমি আশা করবে’ সে বিয়ের ‘আগপর্যন্ত এই চারিত্রিক’ দৃঢ়তা দেখাতে স’ক্ষম হবে এবং’ তুমি তার প্রতি ‘আজীবন কৃতজ্ঞ থাকবে।

About tanvir

Check Also

ভাড়ায় মিলছে স্বা’মী, সুঠাম তরুণদের নিয়ে চলছে রমরমা ব্যবসা

একটি বেস’রকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন শাহিন হোসেন (ছদ্মনাম)। কিন্তু যা বেতন পান, তা দিয়ে সংসার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *