Breaking News

কোহলিকে ঢাকায় আশ্রয় দিতে চান ভক্তরা

মা’নবাধিকার নিয়ে সচেতন ইউরোপ বা আমেরিকার বিভিন্ন দেশ অন্য দেশে নিরাপত্তাহীন হয়ে পড়া বিশিষ্ট ব্যক্তিদের অনেক সময় রাজনৈতিক আশ্রয় দিয়ে থাকে।

রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য তাদের সুনির্দিষ্ট আইন রয়েছে। আইন মেনে আবেদন করে অনেক বাংলাদেশিও বিভিন্ন দেশে রাজনৈতিক আশ্রয় নিয়েছেন।

তবে বর্তমান বাস্তবতায় রাজনৈতিক আশ্রয়ের পাশাপাশি নতুন ধরনের ‘আশ্রয়’ নিয়ে ভাবা প্রয়োজন। এমনটি মনে করছেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের অধিনায়ক বিরাট কোহলির ভক্তরা।

ঢাকায় তার একদল ভক্ত ইতিমধ্যে স’রকারের কাছে এমন আবেদনের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ভক্তরা আবেদনের একটি খসড়াও প্রস্তুত করেছেন।

‘বন্ধু রাষ্ট্রের অ’সহায় ক্যাপ্টেন বিরাট কোহলিকে ঢাকায় আশ্রয় দেয়ার অনুরোধ’ শীর্ষক ওই আবেদনে বলা হয়েছে, ভারতীয় ক্রিকেট দলের ক্যাপ্টেন সম্প্রতি তার তুমুল জনপ্রিয়তা হা’রিয়ে যেন ধপাস করে মাটিতে পড়েছেন। এই ব্য’র্থতার ফলে তার স্ত্রী আনুশকাও তার স’ঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছেন।

এমন পরিস্থিতিতে কোহলি ঘরে থাকতে পারছেন না। আবার বাইরেও যেতে পারছেন না। ঘরের বাইরে বের হলেই তার ও’পর পচা ডিম নি’ক্ষেপ করা হবে। এজন্য পচা ডিম ভর্তি ট্রাক নিয়ে তার বাড়ির সামনে অপেক্ষা করছেন একদল ‘আনুশকা হেটার্স’।

এই আনুশকা হেটার্সদের সাফ কথা, বিরাট ভালই ছিলেন। কিন্তু ড্রিম গার্লের প্রেমে পড়ে নিজের ও দেশের সর্বনাশ করেছেন।

সুন্দরী আনুশকা এখন অ’ন্তঃসত্ত্বা। এজন্য দ্রু’ত ঘরে ফিরতেই কোহলি অস্ট্রেলিয়াকে জিতিয়ে দেন। অল্প সময়ে খেলা শেষ করে ঘরে ফিরতে আনুশকা তাকে আদেশ দিয়েছিলেন বলে অভিযোগ তাদের।

কিন্তু আনুশকার এমন আদেশ ফাঁ’স হয়ে যাবে তা হয়তো বুঝতে পারেননি দু’জনের কেউ। বিরাটের বিপত্তিটা বেঁ’ধেছে এখানে। ভারতীয় নেটিজেনরা ফাঁ’স করে দিয়েছেন, ‘আনুশকার স’ন্তান হবে, এজন্য কোহলি দ্রু’ত বাসায় ফিরতে খেলা শেষ করে দেন।’

আনুশকা হেটার্সদের এই খবর ভারতীয় গণমাধ্যম ফলাও করে প্রচার করেছে। কী করে এই ত’থ্য ফাঁ’স হল তা নিয়ে কোহলিকে স’ন্দে’হ করছেন আনুশকা।

তার স’ন্দে’হ, কোহলি নিজে বাঁচাতে স্ত্রী’কে কোরবান দিয়েছেন। ফলে এখন ঘরে-বাইরে কোথাও স্থান হচ্ছে না বিরাটের। নামে বিরাট হলেও এখন থাকে থাকতে হচ্ছে বেশ ছোট হয়ে।

খসড়া আবেদনে কোহলি ভক্তরা লিখেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কোহলিকে ঢাকায় আশ্রয় নিয়ে মানবিকতার দৃষ্টান্ত রাখার সুযোগ হয়েছে। এজন্য প্রয়োজনে ‘খেলা’শ্রয়’ (খেলায় হেরে বিপাকে পড়াদের আশ্রয়) নামে নতুন আইন করতে হবে।

কোহলি ভক্তরা বলছেন, যদিও ইতিপূর্বে তার দেশ বাংলাদেশকে বারবার কটাক্ষ করছে। তবে বাংলাদেশ সবার স’ঙ্গে সমান বন্ধুত্বে বিশ্বাস করে। ‘কুকুরের কাজ কুকুর করেছে কামড় দিয়েছে পায়, তা ব’লে কুকুরে কামড়ানো কি রে মানুষের শোভা পায়?’

তাছাড়া ভারতীয়রা ইতোমধ্যে তাদের কার্যক্রমের কারণে চতুর্দিকে শ’ত্রু দ্বারা বেষ্টিত হয়ে পড়েছে। তাদের পশ্চিমে চির শ’ত্রু পাকিস্তান, দক্ষিণ-পূর্বে নেপাল ও ভুটান। এই দুই দেশও সম্প্রতি ভারতের প্রতি আগ্রাসী আচরণ দেখাচ্ছে।

এছাড়াও তারা খেলার মতো আ’নন্দদায়ক বি’ষয়কে অনেক সময় অন্যের জন্য অ’পমানজনক করে তোলে। তাদের কাছে কেউ হারলে তারা মওকা মওকা বানায়।

আবার বাংলাদেশি খেলোয়াড়দের নিয়েও বি’ষোদ্গার করে। তবে বাংলাদেশের উচিৎ ভারতীয়দের ক্ষমা করে কোহলিকে বাংলাদেশে আশ্রয় দিয়ে মানবিকতার দৃষ্টান্ত স্থাপন করা।

About tanvir

Check Also

বাংলাদেশের প্রথম তৃতীয় লি*ঙ্গের মাদরাসায় নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু

শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস ও আ’নন্দমুখর পরিবেশে বাংলাদেশের প্রথম তৃতীয় লি*ঙ্গের মাদারাসায় নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হয়েছে। গতকাল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *