Breaking News

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ‘মুক্তিযোদ্ধা’ শব্দ ব্যবহার করে কোটি টাকার প্র’তারণা

শিক্ষকদের বেতন না দিয়ে উন্নয়নের নামে কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ বগুড়ার মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল কলেজের বি’রুদ্ধে।

প্রতিষ্ঠান আছে, আছে শিক্ষক-কর্মচারীও। তবে, নেই স’রকারি অনুমোদন। এছাড়া, শিক্ষকদের বেতন দেয়ার বদলে উন্নয়নের নামে তাদের কাছ থেকে আদায় করা হয়েছে প্রায় কোটি টাকা। ভু’ক্তভোগীরা জানান, বগুড়ায় মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের এমন প্র’তারণার স’ঙ্গে যুক্ত বেশ কয়েকজন মুক্তিযোদ্ধা, রাজনীতিক ও শিক্ষক।

নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে লেখা স’রকার অনুমোদিত প্রতিষ্ঠান, সাথে নানা সুযোগ-সুবিধার প্রলোভন। এছাড়া, প্রতিষ্ঠানের নাম যুক্ত রয়েছে ‘মুক্তিযোদ্ধা’ শব্দটি। তাতেই মিলেছে শতশত মানুষের আস্থা।

বগুড়া সদরে জায়গা ভাড়া নিয়ে গড়ে ওঠা মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের নজরকাড়া নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। আবেদনের স’ঙ্গে চাওয়া হয় ৪শ’ থেকে এক হাজার টাকা পর্যন্ত পোস্টাল অর্ডার। যাচাই বাছাইয়ের পর নিয়োগ দেয়া হয় ৪৫ জন শিক্ষক-কর্মচারীকে। উন্নয়নের কথা বলে তাদের কাছ থেকে আদায় করা হয় তিন থেকে ১০ লাখ টাকা করে। কিন্তু তাদের দেয়া হয়নি কোনো নিয়োগপত্র।

বেশ কয়েকজন শিক্ষক টাকার হিসাবসহ প্রতিষ্ঠানে স্বচ্ছতার দাবি করলে রাতারাতি পাল্টে ফেলা হয় পরিচালনা পর্ষদ। টাকা নেয়ার কথা স্বীকার করে প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানান, উন্নয়নের কাজেই ওই টাকা ব্যবহার করা হয়েছে।

টাকা নেয়ার কথা স্বীকার করে মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল হান্নান জানান, চাকরির বিনিময়ে তাদের কাছ থেকে টাকা নেয়া হয়েছে। এখন তারা যদি চাকরি না করে তাহলে লিখিত অভিযোগ দেয়ার পর টাকা ফেরত দেয়ার প্রশ্ন আসে।

কলেজের সব ধরনের দাপ্তরিক কাগজপত্রে নির্বাহী পরিচালক হিসেবে স্বাক্ষর ও মোবাইল নম্বর দেয়া আব্দুল মান্নান স’রকারের। তবে, টাকা নেয়ার বি’ষয়ে কিছুই জানেন না বলে দাবি তার।

মুক্তিযোদ্ধা টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের নির্বাহী পরিচালক আব্দুল মান্নান স’রকার জানান, কারও ব্যক্তিগত টাকা নেয়ার সুযোগ নেই। টাকা কমিটির লোকজনের কাছে দিলে তারা সে টাকা ব্যাংকে রাখবে। আর যদি কেউ টাকা নিয়ে থাকে সেটা সে নিজ দায়িত্বে নিয়েছে।

এদিকে, অনুমোদন ছাড়াই প্রতিষ্ঠানটি চলছে বলে জানালেন জে’লা শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্ম’দ হযরত আলী।

কেবল সদর উপজে’লায়ই নয়, বগুড়ার ১২ উপজে’লাসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় একই নামে গড়ে উঠেছে প্রতিষ্ঠান। আর সবখানেই চাকরি দেয়ার নামে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ রয়েছে।

About tanvir

Check Also

বাংলাদেশের প্রথম তৃতীয় লি*ঙ্গের মাদরাসায় নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু

শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস ও আ’নন্দমুখর পরিবেশে বাংলাদেশের প্রথম তৃতীয় লি*ঙ্গের মাদারাসায় নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হয়েছে। গতকাল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *