Breaking News

জামায়াত নেতার প্রশংসায় ভাসছে ওবায়দুল কাদেরের ভাই

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও নিজের বড় ওবায়দুল কাদের, মওদুদ সাহেব (বিএনপির মওদুদ আহম’দ) ও আবু নাছের সাহেব (জামায়াতের) তাদের সমমর্যাদার কেউ নেই বলে মন্তব্য করেছেন আব্দুল কাদের মির্জা।

তিনি বলেন, তাদের মতো কোনো নেতা সৃষ্টি হয়নি। এখন তো ওবায়দুল কাদের, মওদুদ আহম’দের নাম বিক্রি করি। তারা তিনজন তো অ’সুস্থ, তারা মা’রা গেলে কার নাম বিক্রি করবে, আর তো কেউ নাই।

নোয়াখালী কোম্পানীগঞ্জ পৌরসভার বর্তমান মেয়র আব্দুল কাদের মির্জা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই ।তিনি কোম্পনীগঞ্জের রাজনীতি বেশ সক্রিয়।

নোয়াখালীর আওয়ামী লীগ নেতা হিসেবেও পরিচিত। এবারও লড়ছেন বসুরহাট পৌরসভার মেয়র পদে।

সম্প্রতি তার একাধিক বক্তব্য ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। যেখানে তাকে বিশেষত নোয়াখালী অঞ্চলের আওয়ামী লীগ নেতাদের সমালোচনায় মুখর দেখা যায়। ঘুষ, দু’র্নীতির বি’রুদ্ধে কথা বলতে দেখা যায় তাকে।

একটি বক্তব্যে তাকে বলতে শোনা যায়, বৃহত্তর নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগের কিছু কিছু চামচা নেতা আছেন, যারা বলেন অমুক নেতা তমুক নেতার নেতৃত্বে বিএনপির দুর্গ ভে’ঙেছে।

সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বৃহত্তর নোয়াখালীতে তিন-চারটা আসন ছাড়া বাকি আসনে আমাদের এমপিরা দরজা খুঁজে পাবে না পালানোর জন্য। এটাই হলো সত্য কথা। সত্য কথা বলতে হবে।

আমি সাহস করে সত্য কথা বলছি। তিনি বলেন, নোয়াখালীর মানুষজন বলে, শেখ হাসিনার জনপ্রিয়তা বেড়েছে। এটা সত্য। কিন্তু আপনাদের জনপ্রিয়তা বাড়েনি। আপনারা প্রতিদিন ভোট কমান।

টাকা দিয়ে বড় জনসভা করা, মিছিল করা কোনো ব্যাপার নয়। টাকা দিলে, গাড়ি দিলে আমিও অনেক লোক জড়ো করতে পারব। না হয় রাজনীতি থেকে বিদায় নেব।

কাদের মির্জা তার বক্তৃতায় বলেন, নোয়াখালীর রাজনীতি অতি ক’ষ্টের। এই বৃহত্তর নোয়াখালীতে আমাদের নেতা ওবায়দুল কাদের, মওদুদ সাহেব (বিএনপির মওদুদ আহম’দ), আবু নাছের সাহেব (জামায়াতের)—

তাদের সমমর্যাদার কেউ নেই। কোনো নেতা সৃষ্টি হয়নি। এখন তো ওবায়দুল কাদের, মওদুদ আহম’দের নাম বিক্রি করি। তারা তিনজন তো অ’সুস্থ, তারা মা’রা গেলে কার নাম বিক্রি করবে, কেউ নাই।

তিনি বলেন, প্রকাশ্যে দিবালোকে পু’ড়িয়ে মানুষ হ’ত্যা করেন, তারা হচ্ছেন নেতা। টে’ন্ডারবাজি করে কোটি কোটি টাকা লু’টপাট যারা করেন,

তারা হচ্ছেন নেতা। পু’লিশের, প্রাথমিক শিক্ষকের চাকরি দিয়ে যারা পাঁচ লাখ টাকা নেন, তারা হচ্ছেন নেতা। গরিব পিয়নের চাকরি দিয়ে তিন লাখ টাকা যারা নেন,

তারা হচ্ছেন আবদুল কাদের মির্জা বলেন, আবদুল মালেক উকিল, শহীদ উদ্দিন এস্কেন্দার ও নুরুল হক সাহেবের নোয়াখালীতে আওয়ামী লীগে অপরাজনীতি চলছে। এই অপরাজনীতি চলতে পারে না। তাই তিনি সবাইকে অপরাজনীতির বি’রুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানান।

আরো অন্তত দুটি বক্তব্য ভাইরাল হয়েছে কাদের মির্জার। অন্য একটি বক্তব্যে তাকে বলতে শোনা যায়, আমি রাজনীতি করবো, প্রয়োজনে একা করবো।

কোনো বেঈমান, মোনাফেক, সুবিধাবা’দী এদের সাথে আমি থাকবো না। আমি অপরাজনীতির বি’রুদ্ধে বলবো। কিছু নেতার দু’র্নীতির ক’ঠোর সমালোচনা করেন তিনি।

About tanvir

Check Also

বাংলাদেশের প্রথম তৃতীয় লি*ঙ্গের মাদরাসায় নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু

শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস ও আ’নন্দমুখর পরিবেশে বাংলাদেশের প্রথম তৃতীয় লি*ঙ্গের মাদারাসায় নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হয়েছে। গতকাল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *