Breaking News

হোটেলে নিয়ে স্বা’মীকে অজ্ঞান করে পু”রু’ষাঙ্গ ক”র্ত”ন করলেন স্ত্রী

লকডাউনের সময় এমন অনেকগু’লি ঘ’টনা ঘটেছিল, যা শুনে শুনে অবাক হয়ে যায় মানুষজন। যেমনটি আম’রা সবাই জানি, সং’কটের এই মুহুর্তে, সমস্ত মানুষ খুব বি`র’ক্ত হয়ে দিন কাটিয়েছেন।

মানুষের কর্মসংস্থান ন’ষ্ট হয়ে গেছে। অর্থ উপার্জনের কোনও উপায় খুঁজে পাওয়া যায় না, তবে এমনটি নয় যে স’ঙ্কটের এই মুহুর্তে লোকেরা দরিদ্রদের সাহায্য করতে এগিয়ে আসেনি।

অনেক ভাল হৃদয়বান মানুষ আছেন যারা দরিদ্র ও অভাবী মানুষকে সমস্যায় সাহায্য করেছেন। একই রকম একটি ঘ’টনা উঠে এসেছে। প্রকৃতপক্ষে, তার স’ন্তানদের লালনপালনের জন্য কুচায়াকোট ব্লকের সাসামুসা বাজারে ভিক্ষা করা একটি পরিত্যক্ত ম’হিলার জীবনে আবারও আলোর এক নতুন রশ্মি এসেছে।

আপনাকে জানিয়ে রাখি যে সাসামুসার বাজারের লোকজনের উদ্যোগে, যে ব্যক্তি স্ক্র্যাপটি কিনেছিল, তিনি এই ম’হিলাকে বিয়ে করেছেন এবং তাকে জীবনস’ঙ্গী করেছেন।

খবরে বলা হয়েছে যে উর্মিলা দেবী সাসামুসা তার স্বা’মীর সাথে বাজারে থাকতেন। তাদের একটি ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। দুবছর আগে উর্মিলা দেবীর স্বা’মী কোনও কারণে তাকে ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন,

যার পরে বাচ্চা এবং তাদের লালন-পালনের উভ’য়েরই দায়িত্বে উঠে আসে কাজিমার মাথায়। স্বা’মী হঠাৎ চলে যাবার পরে উর্মিলা দেবী মন খা’রাপ করেছিলেন। সে চিন্তিত যে তারা কী’’ভাবে তাদের স’ন্তানদের বড় করবে।

পরে, উর্মিলা দেবী তার দুই স’ন্তানের সাথে স্টেশন চত্বরে বসবাস শুরু করেন।তার দুই স’ন্তানকে বড় করতে তিনি সাসামুসার বাজারে ভিক্ষা শুরু করেন। এক বছর আগে যাযাবর বর্ণের কিছু লোক এসে তার মেয়েকে নিয়ে যায় তবে তারা উর্মিলা দেবী ও তার পুত্রকে তাদের সাথে নিতে অস্বীকার করেছিল।
মেয়েকে নিয়ে যাওয়ার পরে, উর্মিলা দেবী তার ছেলেকে সাথে নিয়েভিক্ষা করছিলেন।

বাজারের লোকেরা যখন তাদের অসহায়ত্ব দেখেছিল তখন তারা তাদের সহায়তা করেছিল। উর্মিলা দেবী বাজারে ভিক্ষা করে ছে’লেকে সাথে নিয়ে থাকতেন। উত্তর প্রদেশের কুশিনগর জে’লার অহরৌলি দান গ্রামের বাসিন্দা অশো’ক কুমারও স্ক্র্যাপ কেনার কাজ করতেন।

অশো’ক কুমার উর্মিলা দেবীর পরিস্থিতি সম্প’র্কে জানতে পেরে উর্মিলা দেবীকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। উর্মিলা দেবী ইতিমধ্যে স্বা’মীর সাথে ছাড়াছাড়ি করেছিলেন, এমন পরিস্থিতিতে অশো’ক কুমার যখন তার কাছে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন,

তিনি পরে তা বলবেন বলে তিনি তা স্থগিত করেছিলেন।
বাজারের লোকেরা যখন জানতে পারল যে ব্যক্তি সেই ম’হিলাকে বিয়ে করতে চায়, তখন বাজারের লোকেরা ম’হিলাকে বুঝিয়ে যায়। যার ভিত্তিতে তিনি যুবককে বিয়ে করতে রাজি হন। উভ’য়ের সম্মতির পরে,

বাজারের লোকজন উভ’য়কে সাসামুসা বাজারের দুর্গা মন্দিরে বৈধভাবে বিয়ে দিয়েছিলেন।
মন্দিরের পুরোহিত পঞ্চানন্দ বাদামি দেবী, লক্ষ্মী দেবী, সুমন দেবী, রাহুল, ঋষিসহ আরও অনেক লোক সেই ম’হিলা এবং যুবককে বিয়ে করাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন। ম’হিলার ছেলে নতুন বাবার বাড়ি খুঁজে পেয়েছে। বাজারের মানুষের এই উদ্যোগকে চারদিকে প্রশংসা করা হচ্ছে।

About tanvir

Check Also

ভিজিটিং কার্ডের মাধ্যমে দে’হ ব্য’বসা,ক’চি মে’য়ে আছে

যে দেশের মানুষ শতকরা ৯০ ভাগ মু’সলমান সেখানে নাকি ভিজিটিং কার্ডের মাধ্যমে দে’হ ব্যবসা করছে। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *