Breaking News

১ টুকরো মুখে দিয়ে বিছানায় ঝড় তুলুন কয়েক ঘন্টা

বেশির ভাগ মানুষ আছেন যারা স’মস্যা নিয়ে খোলাখুলি আলোচানা ক’রতে চান না। আর এমনকী’, সং’ক্রা’’ন্ত স’মস্যা দেখা দিলে ডাক্তারের কাছে যেতেও অনেক সময় অনিহা দেখা দেয় ৷ কিন্তু জা’নেন কী’ বিশেষজ্ঞরা বলছেন,

আমা’দের প্রকৃতিতেই এমন অনেক জিনিস আছে, যা কিনা দূ’র ক’রতে পারে স’মস্যা! আ’মেরিকার এক বিশ্ববিদ্যালয়ের গবে’ষণা অনুযায়ী, তরমুজ নাকি এ ব্যাপারে দারুণ কাজ করে, ণশ’ক্তির দিক থেকে অ’ক্ষম বা দু’র্বল, তাদের সক্ষ’মতার জন্য তরমুজই প্রাকৃতিক প্র’তিষেধ’ক। অর্থাৎ তাদের এখন থেকে আর ভায়াগ্রার পেছনে অর্থ না ঢেলে তরমুজে আস্থা রাখলেই চলবে।

আরও পড়ুন : একই দিনে মা ও মে’য়ের বিয়ে হয়েছে। তাও আবার একই মণ্ডপে! অবাক হলেও ঘ’টনাটি একেবারে সত্যি। ঘ’টনাটি ঘটেছে ভারতের উত্তরপ্রদেশের গোরখপুরে।

মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের উদ্যোগে গণবিবাহের আয়োজন হয়েছিল। সেখানেই মা ও মে’য়ের বিয়ে হয়। পিপরেলি ব্লকের বেইলি নামের এক না’রী তার দেওর জগদীশকে বিয়ে করেছেন। জগদীশের ব’য়স ৫৫। বেইলির ৫৩।

যেখানে শুধু মে’য়ে ইন্দুর বিয়ে হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু একই মঞ্চে তার মা ও কাকার বিয়ে সেরে ফেলবেন বলে ঠিক করেন। বেইলির দুই মে’য়ে ও দুই ছেলে। ২৫ বছর আগে তার স্বা’মী মা’রা যান। তারপর থেকে স’ন্তানদের মানুষ করেন তিনি।

এদিকে, জগদীশ বিয়ে করেননি। দুজনের মধ্যে যে অনেক আগে থেকে সম্প’র্ক ছিল তাও নয়। তবে গত কয়েক বছরে পরিস্থিতি বদলায়। বউদিকে বিয়ে করবেন বলে ঠিক করেন জগদীশ। প্রথমে চার স’ন্তানের মা রাজি হননি। কিন্তু এরপর তিনিও জগদীশের প্রস্তাবে সায় দেন। ঠিক হয়, একই দিনে, একই মঞ্চে মা ও মে’য়ের বিয়ে হবে।

গণবিবাহের অনুষ্ঠানে জে’লাপ্রশাসক, এসপি থেকে শুরু করে একাধিক প্রশাসনিক কর্তা হাজির ছিলেন। তবে মা ও মে’য়ের বিয়ে নিয়েই যেন সবার মধ্যে আলাদা উৎসাহ ছিল।

পেশায় কৃষক জগদীশ নিজের সি’দ্ধান্তে গর্বিত ও খুশি। বড় ভাই হরিহর মা’রা যাওয়ার পর বউদির স’ঙ্গে মিলে পরিবারের দেখভাল করেছিলেন জগদীশ। ভাইদের মধ্যে তিনিই ছিলেন সব থেকে ছোট।

About tanvir

Check Also

ভিজিটিং কার্ডের মাধ্যমে দে’হ ব্য’বসা,ক’চি মে’য়ে আছে

যে দেশের মানুষ শতকরা ৯০ ভাগ মু’সলমান সেখানে নাকি ভিজিটিং কার্ডের মাধ্যমে দে’হ ব্যবসা করছে। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *