Breaking News

দাম উঠল সাড়ে তিন লক্ষ টাকা, ৫২ কেজি ওজন! এক ভোলা মাছে বদলে গেল বৃ’দ্ধার জীবন

দিন আনা দিন খাওয়া পরিবার। নদী ও খাঁড়িতে জাল ফে’লে টুকটাক কিছু মাছ ধরে তা বিক্রি করে সংসার চালান। জালে আবার কোনও কোনও দিন ধরা পড়ে না মাছ। ফলে অত্যন্ত ক’ষ্টে জীবনযাপন করতে হয় বৃ’দ্ধা পুষ্প করের। হতদরিদ্র সেই বৃ’দ্ধা রাতারাতি এবার কয়েক লক্ষ টাকার মালিক হয়ে গেলেন। না, তিনি কোনও লটারি কে’টে পুরস্কার জেতেননি।

তবে তিনি পুরস্কৃত হয়েছেন ‘সাগর দেবতা’র কাছ থেকে। তার জালে ধরা পড়ল পেল্লাই সাইজের একটি ভোলা মাছ। মাছটির ওজন প্রায় ৫২ কেজি। সেই মাছটি বিক্রি হয়েছে প্রায় তিন লক্ষাধিক টাকায়। আপাতত, সু’খের মুখ দেখেছেন দক্ষিণ ২৪ পরগনার সাগরের বাসিন্দা পুষ্প কর।

অন্যান্য আর পাঁচদিনের মতো মাছের আশায় খাঁড়িতে জাল ফে’লেছিলেন ওই বৃ’দ্ধা। পরে জাল তুলতে গিয়ে বেশ টান অনুভব করেন তিনি। কয়েক জনের সহযোগিতা নিয়ে অনেক ক’ষ্টের পর সেই জাল ডাঙায় তোলার পর তার চক্ষু চড়কগাছ হয়ে যায়।

দেখতে পান দৈত্যাকার একটি ভোলা মাছ ধরা পড়েছে তার জালে। দ্রু’ত এই খবর ছড়িয়ে পড়ে মৎস্য ব্যবসায়ীদের মধ্যে। দেরি না করে আজ দিনের আলো ফুটতেই ওই বৃ’দ্ধার বাড়ি পৌঁছে যান কাকদ্বীপ বাজারের বেশ কয়েকজন আড়তদার। সেখানে দরদাম করার পর মাছটি বিক্রি হয় ৩ লক্ষ ৩০ হাজার ২০০ টাকায়।

এত টাকা দিয়ে মাছটি কিনে নিয়েছেন কাকদ্বীপের এক ব্যবসায়ী। এত টাকায় ওই মাছটি বিক্রি হওয়ার কারণ তার পটকা। আন্তর্জাতিক বাজারে এই ভোলা মাছের পটকা ও’ষুধ শিল্পে কাজে লাগে। ফলে অত্যন্ত দুর্মূ’ল্য ভোলা মাছের পটকা। বড় সাইজের মাছ হলে এমন দামে বিক্রি হয়।

সমুদ্র থেকে ওই ভোলা মাছটি কী করে খাঁড়িতে চলে এল তা ভেবে অবাক সাগরের মৎস্যজীবীরা। তবে অনেকেই মনে করছেন, মাঝ সমুদ্রে কোনও জাহাজের ধাক্কায় মাছটি আ’হত হয়ে ভাসতে ভাসতে খাঁড়ির দিকে চলে আসে। সেই মাছটি ধরা পড়ে বৃ’দ্ধা পুষ্প করের জালে। এই মাছটির দৌলতে এক লহমায় হতদরিদ্র ওই বৃ’দ্ধা রাতারাতি লাখপতি হয়ে গেলেন।

About tanvir

Check Also

ভিজিটিং কার্ডের মাধ্যমে দে’হ ব্য’বসা,ক’চি মে’য়ে আছে

যে দেশের মানুষ শতকরা ৯০ ভাগ মু’সলমান সেখানে নাকি ভিজিটিং কার্ডের মাধ্যমে দে’হ ব্যবসা করছে। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *