Breaking News

যা লেখা ছিলো পদ্মা সেতুর শেষ স্প্যানে

স্বপ্নের পদ্মা সেতুর শেষ স্প্যানটি বসেছে বৃহস্পতিবার (১০ ডিসেম্বর) দুপুরে। দীর্ঘ এই সেতুর মূ’ল অবকাঠামো নির্মাণের দায়িত্বে রয়েছে চীনা প্রতিষ্ঠান চায়না মেজর ব্রিজ ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি।

শেষ স্প্যান ও স্প্যান বহনকারী ভাসমান ক্রেনে ব্যানার লাগিয়ে লেখা হয় বাংলাদেশ ও চীনের বন্ধুত্বের অটুট বন্ধ’নের কথা।শেষ স্প্যান বসানোর মতই যে লেখার প্রতি কৌতূহল বাংলা ভাষাভাষী মানুষের।

স্প্যান ও স্প্যানবাহী ক্রেনের গায়ে চীনা ভাষায় লেখা ছিলো পদ্মা সেতু নিয়ে বাংলাদেশিদের জন্য একটি শুভেচ্ছা বার্তা।

চীনা ভাষা থেকে অনুবাদ করলে যার অর্থ দাঁড়ায় ‘অতিযত্ন সহকারে নানা সমস্যা মো’কাবিলা করে শিগগিরই আমরা এ সেতু বাস্তবে রূপ দেব। আমরা বাংলাদেশের জনগণের জন্য কল্যাণ বয়ে আনতে বদ্ধপরিকর।’

বিয়ের ৮ ঘণ্টা আগে পঙ্গু কনে, হাসপাতালেই বিয়ে করলেন বর

হঠাৎ এক দু’র্ঘ’টনায় পঙ্গু হয়ে গেছেন কনে। বিয়ের দিন পাওয়া গেল এমন এক খবর। অনেকেই ভেবেছিলো তাকে গ্রহণ করবেন না বর।

তবে এসব ধারণাকে বুড়ো আ’ঙ্গুল দেখিয়ে স্ট্রেচারে শুয়ে থাকা অবস্থায় পঙ্গু হয়ে যাওয়া মে’য়েকে বিয়ে করেছেন সেই বর।

ভারতীয় গণমাধ্যম থেকে জানা গেছে, এমনই দৃষ্টান্ত তৈরি করলেন উত্তর প্রদেশের প্রতাপগড়ের এক যুবক। বিয়ের ৮ ঘণ্টা আগে দু’র্ঘ’টনায় পঙ্গু হয়ে যাওয়া স্ত্রী’কে স্ট্রেচারে শুয়ে থাকা অবস্থাতেই বিয়ে করেছেন তিনি।

জানা গেছে, প্রতাপগড়ের কুন্ডা এলাকার বাসিন্দা আরতি মৌর্যের বিয়ে ঠিক হয়েছিল পাশের গ্রামের অবধেশের স’ঙ্গে। ৮ তারিখ তাদের বিয়ের কথা ছিল। সেদিন দুপুর একটার দিকে একটি শি’শুকে বাঁচানোর চেষ্টা করে ছাদ থেকে পড়ে যান আরতি।

ভে’ঙে টুকরো টুকরো হয়ে যায় তার মেরুদ’ণ্ড। এছাড়া শ’রীরের অন্যান্য অ’ঙ্গপ্রতঙ্গও ভ’য়াবহ চোট পায়। সানাইয়ের শব্দ মুহূর্তেই কা’ন্নায় রূপ নেয়। আরতিকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। চিকিৎসকরা জানান, আরতি পঙ্গু হয়ে গিয়েছেন, বেশ কয়েক মাস বিছানা থেকে নড়তে পারবেন না।

এমনকি চিকিৎসার পরেও তার পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা কম। তবে ঘ’টনা শুনে পাত্র অবধেশ চলে যান হাসপাতালে, হবু স্ত্রীর পরিচর্যায় মনোযোগ দেন।

পরবর্তীতে অবধেশ জানান, তিনি আরতিকেই বিয়ে করবেন। বিয়ের যে লগ্ন ঠিক ছিল, সে সময়ে হবে অনুষ্ঠান।

যদি হাসপাতালে গিয়ে অক্সিজেনের সাহায্যে শ্বাসপ্রশ্বাস নেয়া আরতিকে বিয়ে করতে হয়, তাহলেও পিছপা হবেন না তিনি। পরিস্থিতি দেখে চিকিৎসকরা ঘণ্টাদুয়েক পর অ্যাম্বুলেন্সে আরতিকে বাড়ি পাঠান।

আরতি তখন স্ট্রেচারে শুয়ে, অক্সিজেন, স্যালাইন চলছে। সেই অবস্থাতেই তাকে সিঁদুর পরান অবধেশ। হয় যাবতীয় অনুষ্ঠান। শুধু শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার বদলে আরতিকে আবার নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে।

পরের দিন তার অপারেশন হওয়ার কথা ছিল, ফর্মে সই করেন স্বয়ং অবধেশ। বিয়ের পর এক সপ্তাহের বেশি কে’টে গেলেও হাসপাতালে স্ত্রীর পাশ থেকে সরেননি অবধেশ। স্ত্রীর সেবা করে চলেছেন তিনি, দ্রু’ত সেরে উঠার আশ্বাস দিচ্ছেন।

About tanvir

Check Also

বাংলাদেশের প্রথম তৃতীয় লি*ঙ্গের মাদরাসায় নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু

শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস ও আ’নন্দমুখর পরিবেশে বাংলাদেশের প্রথম তৃতীয় লি*ঙ্গের মাদারাসায় নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হয়েছে। গতকাল …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *