Breaking News

মৃ”ত্যুর আগে ফোন করে চাচাতো ভা’ইকে যে আ’কুতি জানান ‘পল্লী ডাক্তার’

মৃ’ত্যুর একদিন আগে চাচাতো ভাই রহিমকে ফোন করেছিলেন ‘পল্লী ডাক্তার’ রেজাউল করিম হায়াত। ওই সময় তিনি ফোনে প্রা’ণ বাঁ’চানোর আকুতির কথা জানিয়েছিলেন ভাইয়ের কাছে। কোম্পানীগঞ্জের বাড়ি থেকে টাকা নিয়ে আসার আবদারও জানিয়েছিলেন তিনি।

বলেছিলেন- সিলেটের লালবাজারের হোটেল মোহাম্ম’দীয়ার ২০১ নম্বর কক্ষে রয়েছেন তিনি। তার এই ফোন পেয়ে স্বজনদের পাঠানো হয়েছিল হোটেলে। কিন্তু তার খোঁ’জ মে’লেনি। হোটেল কর্তৃপক্ষও এ ব্যাপারে কোনো ত’থ্য দিতে পারেনি। ওই দিন দুপুরে হায়াত আবারো ফোন করেছিলেন বাড়িতে তার এক স্ব’জনের কাছে।

জানিয়েছিলেন- স’ন্তানদের যেন দেখে রাখেন। এরপর থেকে মোবাইল ব’ন্ধ ছিল হায়াতের। গতকাল মানবজমিনের কাছে এসব ত’থ্য জানান রেজাউল করিম হায়াতের চাচাতো ভাই আব্দুর রহিম। তিনি জানান- ‘ভাইকে বাঁ’চাতে আমরা লালবাজারের সব হোটেলে খোঁজ করেছি।

এমনকি ছুটে গিয়েছিলাম হোটেল বিলাসেও। সেখানেও তাকে পাওয়া যায়নি। গত সোমবার পু’লিশ মারফতে তার মৃ’’ত্যুর খবর পাওয়া যায়।’ আব্দুর রহিম জানান- ‘শনিবার ভোরে মোবাইল ফোনে হায়াত রহিমকে বলেন পু’লিশ আমাকে মে’/ ‘রে ফে’লবে বলে কল কে”/ টে দেন। কিছুক্ষণ পর আবার কল দিয়ে বলেন পু’লিশ নয় আমাকে পাবলিক মে’/ ‘রে ফে’লবে।’

তুই কোম্পানীগঞ্জ থানার পু’লিশ নিয়ে এসে আ’মাকে বাঁ’চা। প্রয়োজন হলে টাকা ২০ হাজার দিয়ে দিবো। রহিম কোনো কিছু জিজ্ঞেস করার আগেই তিনি কলটি কে’/ ‘টে দেন।’

সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের উত্তর রাজনগর কালাসাদেক এলাকার চেরাগ আলীর ছে’লে হায়াত। তিনি গ্রামের পল্লী ডাক্তার। হায়াত আলী বিয়ে করেছিলেন তিনটি। প্রথম ও তৃতীয় স্ত্রী’র স’ঙ্গে দা’ম্পত্য জী’বনের ইতি ঘটলেও দ্বি’তীয় স্ত্রী’র স’ঙ্গে চলছিল সংসার।

সবমিলিয়ে সং’সার জী’বনে ৯ স’ন্তানের জ’নক তিনি। গত ১৮ই জানুয়ারি বৃহস্পতিবার সকালে বাড়ি থেকে সিলেট আসার কথা বলে বের হন। সেদিন থেকে নগরীর বিভিন্ন হোটেলে অবস্থান করছিলেন।

গত সোমবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে লালবাজারের স্থানীয় ব্যবসায়ীরা হোটেল মোহাম্মীয়া আবাসিকের পেছনে রেজাউল করিম হায়াতের লা’/ ‘শ দেখতে পেয়ে কোতোয়ালি থানা পু’লিশকে খবর দেন। পু’লিশ ঘ’টনাস্থল থেকে লা” শ উ’দ্ধা’র করে।

এ সময় তার শ’রীরে বেশকিছু আ’ ঘা’তের চি’হ্ন পায় পু’লিশ। পু’লিশের সু’রত’হাল রি’পোর্ট অনুযায়ী ম’রদে’হের চো’খে, কা’নের নিচে আ’ঘা’তের চি’হ্ন পাওয়া গেছে। তার না’ক-মু’খসহ শ’রীর র ’ক্তা’ক্ত ছিল।

এরপর পু’লিশ ম’য়নাত’দন্তের জন্য লা’ শটি সিলেট ওসমানী মে’ডিকেল ক’লেজের হা’সপাতা’লের ম’র্গে লা ‘শ পাঠায়। কোতোয়ালি থানার ওসি এসএম আবু ফরহাদ সাংবাদিকদের জানিয়েছেন- এই ঘ’টনায় নি’হ’তের ছোট বো’ন মিনা বেগম বা”দী হয়ে অ’জ্ঞা’ত কয়েকজনকে আ’সা’মি করে মা’ম’লা করেছেন।

লালবাজারের হোটেল মোহাম্ম’দীয়ার ম্যানেজার আব্দুর রউফ, সহকারী ম্যানেজার শামীম, হোটেল কর্মচারী দেলোয়ার ও ফরিদকে থানায় নিয়ে জি’জ্ঞা’সাবাদে শেষে সংশ্লিষ্টতা না পা’ওয়ায় গত মঙ্গলবার তাদেরকে ছে”ড়ে দেয়া হয়েছে। তবে হোটেল এম’দাদীয়ার ২ জন স্টা’ফকে জি’জ্ঞা’সাবাদের জন্য থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। তারা হলেন- প্রা”ণেশ ও ফয়ছল আহম’দ। তাদেরকে গ্রে’প্তা’র করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

পু’লিশ জানায়- এলাকায় একটি মা’ রামা’রির ঘ’টনায় দা’য়ের করা মা’ম’লায় আ’দালতে হা’জির না হওয়ার কারণে হায়াতের বি”রু’দ্ধে গ্রে’প্তা’রি প’রোয়ানা জা’রি হয়েছিল। বি’ষয়টি জানতে পেরে তিনি কোম্পানীগঞ্জ থেকে সিলেটে চলে আসেন।

এরপর থেকে তিনি সিলেটে অবস্থান করছিলেন। স্ব’জনরা জানিয়েছিলেন- সিলেট নগরীর হোটেল বিলাসের ৩০৩ নম্বর কক্ষেও কিছুদিন বসবাস করেছেন হায়াত। ওই হোটেলে কাপড় রেখেই তিনি চাবি নিয়ে চলে এসেছিলেন। এরপর আর হোটেলে যা’ননি বলে জানান তিনি।

About tanvir

Check Also

হোটেলে নিয়ে দেবরের গো’পনা’ঙ্গ কে’টে দিলেন ভাবি

স্বা’মীর ছোট ভাই সামিউলের স’ঙ্গে প’রকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন ফাতেমা আক্তার। স্বা’মীকে তালাক না দিয়েই ২০১৯ …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *