Breaking News

আমাকে ব’হিষ্কার করার একরামুল করিম চৌধুরী কে?’

ক্ষ’মতাসীন দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই নোয়াখালীর বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা বলেছেন, ‘আমাকে ব’হিষ্কার করার একরামুল করিম চৌধুরী কে?

আমাকে ব’হিষ্কারের ক্ষ’মতা নেই তার।’ দল থেকে অব্যাহতি এবং তার দুই ঘণ্টা পর তা প্রত্যাহারের সি’দ্ধান্তের প্রতিক্রিয়ায় আজ শনিবার রাতে এ কথা বলেন আবদুল কাদের মির্জা।

বসুরহাট পৌরসভার মেয়র বলেন, ‘তার (একরামুল করিম চৌধুরী) নিজের কমিটির অনুমোদন নেই, আসছে আমাকে ব’হিষ্কার করতে। আমার নেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি বলেন আমি ব’হিষ্কার, তাহলে আমি তার কথা মাথা পেতে নেব। এ ছাড়া অন্য কারও কথা কিংবা ব’হিষ্কারে আমার কিছু যায় আসে না।

আমাকে ব’হিষ্কারের কিছুই নেই। জে’লা আওয়ামী লীগের স’ঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। এটি একটি অবৈধ কমিটি। এই কমিটির অস্তিত্ব নেই। আমাকে ব’হিষ্কারের ক্ষ’মতা নেই তাদের।

‘এর আগে আজ বিকেল ৪টার দিকে জে’লা আওয়ামী লীগের সভাপতি এ এইচ এম খায়রুল আনম চৌধুরী সেলিম ও সাধারণ সম্পাদক মোহাম্ম’দ একরামুল করিম চৌধুরী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে মির্জা কাদেরকে দল থেকে ব’হিষ্কারের জন্য সুপারিশ ও সাংগঠনিক সব কার্যক্রম থেকে অব্যাহতির জন্য কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সং’সদের কাছে সুপারিশ পাঠানো হয়। এর দুই ঘণ্টা না যেতেই সেই বিজ্ঞপ্তি প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়।

ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজে’লা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ও বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আবদুল কাদের মির্জা দলীয় নেতা-কর্মীদের ও’পর স’ন্ত্রাসী লেলিয়ে দিয়ে হা’মলা চা’লিয়ে গু’রুতরভাবে আ’হত করেন।

বিভিন্ন সভা সমাবেশ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক লাইভে এসে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি ও জে’লা আওয়ামী লীগের নেতৃবৃন্দ সম্প’র্কে মিথ্যা,

সংগঠনবি’রোধী অশালীণ বক্তব্য ও আ’পত্তিকর উক্তি করেন। এছাড়া নেতা-কর্মীদের হু’মকি প্রদান করার অভিযোগে আবদুল কাদের মির্জাকে সংগঠনের সকল কার্যক্রম থেকে অব্যাহতি প্রদান করা হয়।

একইস’ঙ্গে সংগঠনবি’রোধী উল্লেখিত কারণ ও দলীয় গঠনতন্ত্র পরিপন্থী কাজে জ’ড়িত থাকার অভিযোগে আবদুল কাদের মির্জাকে দলের প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে চূড়ান্তভাবে বহিস্কার করার জন্য আওয়ামী লীগ সভানেত্রী ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সং’সদের কাছে সুপারিশ পাঠানো হয়েছে।প্রস’ঙ্গত,

গত ১৬ জানুয়ারি বসুরহাট পৌরসভা নির্বাচনের আগে থেকে বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনায় আসেন কাদের মির্জা। তিনি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের ছোট ভাই।

এরই মধ্যে আবদুল কাদের মির্জা জে’লার ডিসি, এসপি, কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি, পরিদর্শকসহ প্রশাসন ও পু’লিশের বি’রুদ্ধে নানা অভিযোগ তোলেন। একইস’ঙ্গে নোয়াখালী-৪ আসনের সাংসদ একরামুল করিম চৌধুরী ও ফেনী-২ আসনের সাংসদ নিজাম উদ্দিন হাজারীর অপরাজনীতি, টেন্ডার-বাণিজ্য, চাকরি বাণিজ্য ও কমিশন বাণিজ্য বন্ধসহ বিভিন্ন অভিযোগের বিচারের দাবিতে আবদুল কাদের মির্জা আন্দোলন করে আসছেন।

About tanvir

Check Also

ভিজিটিং কার্ডের মাধ্যমে দে’হ ব্য’বসা,ক’চি মে’য়ে আছে

যে দেশের মানুষ শতকরা ৯০ ভাগ মু’সলমান সেখানে নাকি ভিজিটিং কার্ডের মাধ্যমে দে’হ ব্যবসা করছে। …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *